সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২ ইং         ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
  • মেনু নির্বাচন করুন

    দিনাজপুরের স্কয়ার কোম্পানীর গুদাম থেকে প্রায় ৪১ কোটি টাকা মূল্যের আতপ চাল জব্দ


    প্রকাশিতঃ 01 Jun 2022 ইং
    ভিউ- 248
    শেয়ার করুনঃ


    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    দিনাজপুরে উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগেরর যৌথ অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার আতব চাল তৈরীর স্কয়ার কোম্পানীর একটি মিলে। 


     ৯ ঘন্টার অভিযানকালে প্রায় ৪১ কোটি টাকার ৫ হাজার ১২৪ দশমিক ৫৩০ মেট্রিক টন আতপ চাল পেয়েছে।  সরকারী নিয়ম বর্হিভুতভাবে বিপুল পরিমানে চাল মজুদ করায় প্রতিষ্ঠানটির ৬টি গোডাউনে রাখা ওই চাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসাথে এই ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


    মঙ্গলবার ৩১ মে বিকেল ৫ টা থেকে বুধবার ভোর রাত আড়াইটা পর্যন্ত সদর উপজেলার ১নং চেহেলগাজী ইউনিয়নের গোপালগঞ্জ বাজারে অবস্থিত স্কয়ার ফুড এন্ড বেভারেজ কোম্পানীতে এই অভিযান চালানো হয়। 

    অভিযানকালে মিলের ইনচার্জ উত্তর বংশিপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে জায়েদ হোসেনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক।


    অভিযান পরিচালনা করেন দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মর্তুজা আল মঈদ। 

    এসময় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার এমএ কাদের, সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বিপ্লব কুমার সিংহ রায় উপস্থিত ছিলেন।


    এ বিষয়ে ইউএনও বলেন, সন্ধ্যা ৬টায় আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্কায়ারের মিলে অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানকালে মিলের ৬টি গুদামে ৫ হাজার ১২৪

    দশমিক ৫৩০ মেট্রিক টন আতপ চালের উপস্থিতি পাওয়া যায়। কিন্তু মিলের অনুমোদন রয়েছে ৩১২ মেট্রিক টন। সে হিসেবে মিলে ৪ হাজার ৮১২ দশমিক ৫৩০ মেট্রিক টন চাল বেশি মজুদ পাওয়া যায়। অভিযান শুরু করা হলে তাদের কাছে কাগজপত্র ও মিলের চাল মজুদের হিসাব চাওয়া হলে তারা সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।

    পরে ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে মিলের লোকজন বৈদ্যুতিক সংযোগ বন্ধ করে দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। 

    এসময় ভ্রাম্যমান আদালতের কাজে নিয়োজিত থাকা পুলিশ সদস্যরা তাদের ধরে নিয়ে আসে। পরে রাত আড়াইটার দিকে মিলের ৬টি গুদামে সংরক্ষিত চালগুলো উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের জিম্মায় প্রদান করা হয়।


    তিনি আরও বলেন, এব্যাপারে দিনাজপুর সদর উপজেলা নিয়ন্ত্রক বিপ্লব কুমার সিংহ রায় বাদী হয়ে মিলের স্বত্বাধিকারী অঞ্জন চৌধুরী ও মিলের ইনচার্জ জায়েদ হোসেনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। এত পরিমাণ চাল জব্দ হওয়ায় এটি বিচার ভ্রাম্যমান আদালতে করা সম্ভব নয়। তাই অভিযোগটি কোতয়ালী থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা জন্য পাঠানো হয়েছে।

    এছাড়াও মিলের ইনচার্জ জায়েদ হোসেনকে পুলিশের হেফাজতে প্রদান করা হয়েছে। জব্দকৃত চালের ৮০ টাকা বাজার মূল্য হয়েছে ৪০ কোটি ৯৯ লক্ষ ৬২ হাজার ৪০০ টাকা।


    মুক্তি / হু ক


    আপনার মন্তব্য লিখুন
    © 2022 muktir71news.com All Right Reserved.